আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশের প্রথম পেশাদার নারী পেইন্টারদের পাশে দাঁড়াতে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক।
নারীদের আর্থিক ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখা এসব নারী পেশাজীবীর জন্য একটি সমন্বিত ও পূর্ণাঙ্গ সহায়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। এতে যুক্ত করা হয়েছে ডিজিটাল সংযোগ, আর্থিক সুবিধা ও স্বাস্থ্যসেবা। মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার ‘পিপল-ফার্স্ট’ দৃষ্টিভঙ্গি এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে নারীদের জন্য সুযোগ বাড়ানোর বাংলালিংকের প্রতিশ্রুতিও এ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে।
একই সঙ্গে বার্জার পেইন্টসের ‘এক্সপ্রেস পেইন্টিং সার্ভিস’-এ নারী পেইন্টারদের অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগকেও এটি সহায়তা করবে। দীর্ঘদিন ধরে পুরুষপ্রাধান্য থাকা এই পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোই এর লক্ষ্য। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নারীদের জন্য তুলনামূলকভাবে অপ্রচলিত এ পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে চায় বাংলালিংক ও বার্জার পেইন্টস।
পাশাপাশি, ডিজিটাল সুবিধা প্রাপ্তির সুযোগ, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও করপোরেট সহযোগিতা কীভাবে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তুলতে পারে, সেই বিষয়টিও এই উদ্যোগের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
এই কর্মসূচির আওতায় বার্জার পেইন্টস তাদের বার্জার ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে নারী পেইন্টারদের কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এর ফলে তারা পেশাদারভাবে রং করার দক্ষতা অর্জন করেছেন এবং কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন।
এই উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিতে নারী পেইন্টারদের জন্য ডিজিটাল সংযোগ, বাড়তি আয়ের সুযোগ ও স্বাস্থ্যসেবার সুবিধা দিচ্ছে বাংলালিংক। এতে তারা স্বনির্ভর পেশাজীবী হিসেবে গড়ে উঠতে পারবেন এবং নিজেদের পেশায় এগিয়ে যেতে পারবেন।
উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রতিটি অংশগ্রহণকারী একটি করে বাংলালিংক সিম পাবেন। এটি তারা তাদের ব্যবসায়িক যোগাযোগ নম্বর হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। এর ফলে বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোন আউটলেটের মাধ্যমে সেবা নিতে আগ্রহী গ্রাহকেরা সহজেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।
এ ছাড়া থাকছে ইএমআই সুবিধায় স্মার্টফোন কেনার সুযোগ। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক ডাউন পেমেন্ট দেবে বাংলালিংক। এর ফলে নারী পেইন্টাররা অনলাইনে শেখার সুযোগ পাবেন এবং ডিজিটাল মাধ্যমে নিজেদের সেবার প্রচার করতে পারবেন।
এ উদ্যোগে রয়েছে বাড়তি আয়ের সুযোগ। অংশগ্রহণকারীদের ‘বিএল পাওয়ার’ অ্যাপে এজেন্ট হিসেবে যুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে তারা মোবাইল রিচার্জ সেবা প্রদানের মাধ্যমে কমিশনবাবদ আয় করতে পারবেন। ফলে পেইন্টিংয়ের কাজের পাশাপাশি তাদের জন্য আরেকটি আয়ের পথ তৈরি হবে।
অংশগ্রহণকারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিও এই উদ্যোগে গুরুত্ব পেয়েছে। ক্লিনিকলের সহযোগিতায় তারা ‘মাইবিএল’ অ্যাপের মাধ্যমে এক বছরের জন্য আনলিমিটেড ডাক্তার পরামর্শ সেবা পাবেন।
এ ছাড়া তাদের জন্য সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা থাকবে। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা যাবে। পাশাপাশি জীবনবিমা সুবিধাও দেওয়া হবে।