সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি আজ ২০২৬ সালে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে বেশ কয়েকটি জ্বালানি তেল ও অপরিশোধিত তেল আমদানি প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করেছে। খবর বাসস
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত চলতি বছরের সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির প্রথম সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির আওতায় ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুন সময়কালে বিভিন্ন দেশের সাতটি কোম্পানি থেকে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে। এতে আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৮২৬ কোটি ১১ লাখ টাকা।
সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: চীনের পেট্রোচায়না, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইএনওসি, ভারতের আইওসিএল, থাইল্যান্ডের ওকিউটি, মালয়েশিয়ার পিটিএলসিএল, ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি এবং চীনের ইউনিপেক।
এছাড়া কমিটি আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি (এডিএনওসি) থেকে ৭ লাখ মেট্রিক টন মারবান গ্রেডের অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সুপারিশ করেছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৫৪২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। একই সঙ্গে সৌদি আরামকো থেকে ৮ লাখ মেট্রিক টন অ্যারাবিয়ান লাইট ক্রুড আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়েছে, যার ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৩২০ কোটি ২২ লাখ টাকা।
এছাড়াও, ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারী লিমিটেড থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এতে আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৬১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। সব প্রস্তাবই জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ উপস্থাপন করে।