শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সিরাজগঞ্জে রেকর্ড করা হয়েছে, যা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সারাদেশের ন্যায় সিরাজগঞ্জেও শীতের তীব্র প্রভাব অব্যাহত রয়েছে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলমান শীত মৌসুমে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শীতের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হচ্ছে। শনিবার সকাল ৯টায় সিরাজগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়, যা এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
এর আগে গতকাল শুক্রবার (২ জানুয়ারি) যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিনও সেখানে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। সবমিলিয়ে চলতি মৌসুমে যশোর জেলায় তিন দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।
সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চল ও গ্রামাঞ্চলে শীতের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে। ভোর থেকে ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। রাস্তাঘাটে জনসমাগম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
এদিকে, বিশেষ করে ছিন্নমূল মানুষ, দিনমজুর, শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। অনেক এলাকায় শীতবস্ত্রের অভাবে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। শীতের কারণে কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায় দিনমজুরদের আয়ও কমে গেছে, যা তাদের জীবনযাপন আরও কঠিন করে তুলেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে এবং শীতের এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। এ অবস্থায় শীতপ্রবণ এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সহায়তা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।