মাস্টারমাইন্ডদের দ্বারা মহাপরিকল্পনা হাইজ্যাক: দুর্নীতিগ্রস্ত অবকাঠামো ও জ্বালানি প্রকল্পে চারগুণ ঋণ, ৪০% বরাদ্দ ক্ষয়

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ২০০৯ সালের ২৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৫ সালে প্রায় ১১২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ৩৭৭% বৃদ্ধি। একই সময়ে, প্রতি ৫ টাকা সরকারি রাজস্বের মধ্যে ১ টাকা এখন কেবল সুদ পরিশোধেই ব্যয় হচ্ছে, আসল পরিশোধের আগেই। প্রায় ২৯টি মেগা প্রকল্প গড়ে ৭০.৩% ব্যয় বৃদ্ধির সম্মুখীন হয়েছে, যখন অতিমূল্যায়িত বিদ্যুৎ চুক্তিগুলো সাশ্রয়ী রাখার জন্য বার্ষিক প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।

ঢাকার সিরডাপ (CIRDAP) মিলনায়তনে চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ থিঙ্ক-অ্যান্ড-ডু ট্যাঙ্ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আয়োজিত ‘পাবলিক ডেট অ্যান্ড গভর্ন্যান্স’ (সরকারি ঋণ ও সুশাসন) শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। এই অধিবেশেন কীভাবে দুর্নীতি কমিয়ে ঋণ-ফাদের ঝুঁকি কমাতে প্রকল্পের সুশাসন, দক্ষ চুক্তি এবং পরিচালনগত প্রণোদনার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কায় আর্থিক বিপর্যয়ের পর ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনস-এর সহায়তায় সোয়াস (SOAS) ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন পরিচালিত গবেষণায় বাংলাদেশ বিষয়ক গবেষণা চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ পরিচালনা করে। গবেষণায় পরিবহন, বিদ্যুৎ, বিমান চলাচল, বন্দর এবং শিল্প অঞ্চল জুড়ে ৪২টি মেগা প্রকল্প (২০০৯-২০২৫) বিশ্লেষণ করে পায় যে দুর্নীতি প্রসূত ঋণের সমস্যাটি ক্রমবর্ধমানভাবে  সুশাসনের সমস্যা এবং তা এক্মাত্র কার্যকর জবাব্দিহিতা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির বিকল্প নেই।

গবেষণায় বের হয়ে আসে যে, অবকাঠামো প্রকল্পে মেগা দুর্নীতি এবং দুর্বল সুশাসন অতিমূল্যায়ন বা ইচ্ছাকৃত দুর্বল পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা চলতে থাকলে সরকারি ঋণের দায় তথা দায়০জিডিপি অনুপাত আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ৬৫-৭০% এ দাড়াতে পারে। উচ্চ-মূল্যের বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো বিশেষ করে দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক যোগসাজশের প্রতি সংবেদনশীল, অযৌক্তিক অতিমূল্যায়িত প্রকল্প থেকে মুনাফাইয় দক্ষতার চেয়েও ঘুষের লেনদেনকে বেশি উৎসাহিত করে। ফলে, সুদের পরিশোধ এখন জাতীয় রাজস্ব বাজেটের এক-পঞ্চমাংশ (২০%) গ্রাস করছে। প্রায় ২৯টি মেগা প্রকল্প গড়ে ৭০.৩% ব্যয় বৃদ্ধির সম্মুখীন হয়েছে, যখন অতিমূল্যায়িত বিদ্যুৎ চুক্তিগুলো সাশ্রয়ী রাখার জন্য বার্ষিক প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।

এই গবেষণাটি যুক্তি দেয় যে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতাই যথেষ্ট নয়। উল্লেখযোগ্য দুর্নীতির মামলা চিহ্নিত এবং এর বিচার সহ কার্যকর প্রতিযোগিতাকে নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ক্ষমতা সম্পন্ন “অনুভূমিক নিয়ন্ত্রণ” (horizontal checks) প্রয়োজন। প্রশাসনের আনুভূমিক এবং উচ্চ প্ররাএয় দুর্নীতি ঠেকাতে সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে জবাব্দিহিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর পদান করা হয়।

গবেষণার প্রধান ফলাফল

বৈদেশিক ঋণের স্থিতি: US$২৩.৫ বিলিয়ন (২০০৯) থেকে প্রায় US$১১২ বিলিয়ন (২০২৫), +৩৭৭%

সুদের বোঝা: রাজস্বের ১/৫ অংশ সুদে ব্যয় হচ্ছে

ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা সংক্রান্ত চাপ: বৈদেশিক আয়-টু-বৈদেশিক ঋণ অনুপাত ১৯২% এ পৌঁছেছে (২০২৫)

“প্রকৃত” ঋণ অনুপাত

৪২% ঋণ-টু-জিডিপি (সংশোধিত) বনাম আগে রিপোর্টকৃত “নিরাপদ” ৩৩%

অর্থ তসরুপের প্রাক্কলন: যোগসাজশ, স্ফীত ব্যয় এবং অদক্ষতার মাধ্যমে প্রকল্পের মূল্যের ২৩% থেকে ৪০% হারিয়ে গেছে

বিদ্যুৎ খাতের টানাপোড়েন: ফিক্সড ক্যাপাসিটি চার্জ (স্থির খরচ) ২০২৫ সালে ৩৮,০০০ কোটি টাকায় পৌঁছাবে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে, বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ যাই হোক না কেন

গবেষণাটি সতর্ক করে যে বাংলাদেশ একটি “পরিমিত ঋণ” অবস্থান থেকে পরিশোধ সক্ষমতার ঝুঁকি-ফাঁদের দিকে এগুচ্ছে, পরিসংখ্যানগত চৌর্যবৃত্তি এবং গোপনীয় দায় এ ঝুকি আরো বাড়িয়ে তুলেছে, যেহেতু তারল্য সংকটের মুহূর্ত না আসা পর্যন্ত প্রকৃত অবস্থা যাচাই করা কঠিন। অনেকটা ঋণ নেওয়া হলো দীর্ঘমেয়াদী বন্ধকের মতো, কিন্তু যদি প্রকিউরমেন্ট (সংগ্রহ) মূল্য বেড়ে যায় এবং চুক্তিগুলো প্রকৃত ফলাফল নিশ্চিত না করে তবেও সুদের বিল সময়মতো চলে আসে কিন্তু ফলাফল আসে না।

কারিগরি উপস্থাপনায় অধ্যাপক মুশতাক এইচ খান বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কার তুলনামূলক রাজনৈতিক অর্থনীতির ফলাফল এবং কীভাবে বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো খাতের সুশাসনের অভাব শ্রীলঙ্কার সার্বভৌম সংকটে অবদান রেখেছে তা তুলে ধরেন। তিনি তাগিদ দিয়ে বলেন, “আমাদের কেবল অনুভূমিক নিয়ন্ত্রণের অভাবই নেই; আমরা অনুভূমিক যোগসাজশেও ভুগছি। ওপর থেকে আরও নিয়ম চাপিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে, আমাদের অবশ্যই এমন অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে যা এই যোগসাজশমূলক চুক্তিগুলোকে ব্যাহত করে। কেবল প্রকৃত প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই আমরা অনুভূমিক চাপকে দুর্নীতির হাতিয়ার থেকে জবাবদিহিতার একটি শক্তিশালী প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করতে পারি।”

গবেষণাটি কেন এটি এখন গুরুত্বপূর্ণ

শ্রীলঙ্কার সার্বভৌম সংকটের (২০২২) পর, বাংলাদেশসহ একাধিক দেশকে বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো খাতে দেশের ঋণের ঝুঁকির জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ২০২৩ সাল থেকে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের চুক্তিবদ্ধ অর্থ পরিশোধ করতে হিমশিম খাচ্ছে, যখন বড় বড় অবকাঠামো ঋণের বিশাল কিস্তি পরিশোধের সময় ঘনিয়ে আসছে। গবেষণাইয় বের হয়ে আসে, প্রকৃত ঝুঁকি কেবল ঋণের অনুপাত নয় বরং “সুশাসনের অনিশ্চয়তা”। যখন সুশাসন নমনীয় হলেও ঋণের পরিমাণ সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও পরিশোধের বৃদ্ধি এবং মুদ্রার চাপের মুখে তা ভঙ্গুর হয়ে পড়তে পারে।

গোলটেবিল বৈঠকে করদাতা, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রধান প্রশ্নের ওপর আলোকপাত করা হয়।

কীভাবে সুশাসনের অভাব উচ্চতর ঋণে রূপান্তরিত হয়: গবেষণাটি প্রাক্কলন করেছে যে প্রকল্পের খরচের ৪০% পর্যন্ত দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণে হারিয়ে যেতে পারে, যেখানে সরাসরি সরকার-টু-সরকার (G2G) চুক্তিগুলো আরও স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক পদ্ধতির তুলনায় খরচ ৪০০% এরও বেশি বাড়িয়ে দেয়।

কেন চুক্তির নকশা বারবার আর্থিক রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে: বিদ্যুৎ খাতে, “টেক-অর-পে” চুক্তিগুলো পারফরম্যান্স বা দক্ষতার চেয়ে লভ্যতার জন্য পুরস্কৃত করতে পারে, যা বিদ্যুৎ ব্যবহৃত না হলেও বাজেটকে নির্দিষ্ট দায়বদ্ধতায় আটকে ফেলে।

রাজনৈতিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতার মধ্যে কোন সংস্কারগুলো সম্ভব: প্রস্তাবিত পরিবর্তনটি হলো “গতির জন্য ঋণ” (Borrowing for Speed) থেকে “পরিকল্পিত সুশাসন” (Governance by Design)-এ রূপান্তর করা, যেখানে রাজনৈতিক চুক্তি অর্থনৈতিক যুক্তিকে অগ্রাহ্য করে সেই প্রতিবন্ধকতাগুলোকে লক্ষ্য করা হয়েছে।

গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী এম. জাকির হোসেন খান। ঋণ সুশাসনকে ‘প্রাকৃতিক অধিকার নেতৃত্বাধীন সুশাসন’ (Natural Rights Led Governance)-এর আলোকে সরকারি অর্থকে মানুষ এবং প্রকৃতির অধিকারের নিরিখে যাচাই করতে হবে, স্বল্পমেয়াদী আর্থিক কাঠামোর ভিত্তিতে নয় বরং দীর্ঘমেয়াদী সমৃদ্ধির দিকে ফোকাস করতে হবে।“

জনাব জাকির হোসেন খান বলেন, “জ্বালানি হলো অর্থনীতির প্রাণশক্তি। কিন্তু আমাদের বৈদেশিক ঋণ ১০০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করার পরেও যদি দুর্নীতিতে নিমিজ্জিত বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতে বার্ষিক ৫ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হয়, তবে বাংলাদেশ দ্রুতই আর্থিক দেউলিয়াত্বের দিকে এগিয়ে যাবে। বিদ্যুত ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনা দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ডদের দ্বারা হাইজ্যাক হয়েছে।”

সম্মানীয় অতিথি এবং মনোনীত বক্তারা অতিরিক্ত বক্তব্য প্রদান করেন।

ওয়াইস পারে, কান্ট্রি ইকোনমিক অ্যাডভাইজার, ইউএনডিপি (UNDP): “ক্রমবর্ধমান ঋণ অবকাঠামো এবং সামাজিক সুরক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে প্রতিফলিত করে। ঝুঁকি হলো অর্থায়ন থেকে নীতিকে বিচ্ছিন্ন করা; ঋণ গ্রহণ যেন প্রকৃত, টেকসই উন্নয়নে রূপান্তরিত হয় তা নিশ্চিত করতে আমাদের অবশ্যই সমন্বিত পরিকল্পনা এবং শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার মাধ্যমে এই ব্যবধান ঘুচিয়ে দিতে হবে।”

এমা উইন্ড, গভর্নেন্স অ্যাডভাইজার, এফসিডিও (FCDO): “বাংলাদেশ যেহেতু এলডিসি (LDC) উত্তরণের কাছাকাছি পৌঁছেছে, বিদ্যুৎ খাতের সংস্কার একটি আর্থিক আবশ্যকতা। প্রকিউরমেন্ট (সংগ্রহ) প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে আইএমএফ (IMF) সুশাসন ডায়াগনস্টিকস এবং দাতাদের দক্ষতা ব্যবহার করে আমরা একটি আর্থিকভাবে স্থিতিশীল, জ্বালানি-সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারি যা জাতি এবং এর বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন অংশীদার উভয়কেই উপকৃত করবে।”

মো. জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা, পরিচালক, বিপিডিবি (BPDB): “বিশেষ আইন বাতিল করা এবং প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র প্রবর্তন করার ফলে সৌরবিদ্যুতের শুল্ক ১০ সেন্ট থেকে কমিয়ে ৫-৮ সেন্টে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। জমির লভ্যতা এবং জ্বালানি বহুমুখীকরণকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা কাঠামোগত চ্যালেঞ্জগুলোকে একটি টেকসই, সাশ্রয়ী জ্বালানি ভবিষ্যতে রূপান্তর করছি।”

মোস্তফা আল মাহমুদ, প্রেসিডেন্ট, বিএসআরইএ (BSREA): “যেখানে সৌরবিদ্যুতের দাম ৫ সেন্টের নিচে, সেখানে আমাদের আমদানির পেছনে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার নষ্ট করা বন্ধ করতে হবে। গ্রিড-সংলগ্ন জমির মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ করা এখন আর কোনো বিকল্প নয়, এটি বাংলাদেশের বেঁচে থাকার জন্য একটি অপরিহার্য কৌশল।”

কাওসার চৌধুরী, কো-চেয়ার, বাংলাদেশ আমেরিকা অ্যালায়েন্স: “৫ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি এবং ৯,৫০০ মেগাওয়াট অতিরিক্ত সক্ষমতা নিয়ে আমরা এক অস্তিত্ব সংকটের মুখোমুখি। খরচ এবং দুর্নীতি কমাতে সরকারি জমিতে, যেমন খালের ওপর, প্রতিযোগিতামূলক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প অপরিহার্য।”

সংস্কারের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে যা নিখুঁত পরিস্থিতির জন্য প্রচেষ্টার পাশাপাশি বিদ্যমান শাসন কাঠামোতেই বাস্তবায়ন করা যেতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:

ওপেন-বুক প্রকিউরমেন্ট (উন্মুক্ত সংগ্রহ): বিড অ্যাবস্ট্রাক্ট, সরবরাহকারীর উৎস এবং ভ্যারিয়েশন অর্ডারের লগ প্রকাশ করা, পাশাপাশি নির্ধারিত সীমার বাইরে ই-জিপি (e-GP)-র জন্য ডিজিটাল বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা।

রেডিনেস গেটস (প্রস্তুতি যাচাই): স্বাক্ষর বা নির্মাণের আগে যাচাইকৃত জমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর এবং নকশা পরীক্ষা করা যাতে ভ্যারিয়েশন অর্ডার সর্পিল এবং বিলম্ব-চালিত বাজেট স্ফীতি কমানো যায়।

পারফরম্যান্স-সংযুক্ত কার্যক্রম: অপারেশন এবং মেইনটেন্যান্স (O&M) পেমেন্টকে আউটপুট এবং আপটাইমের সাথে সংযুক্ত করা, যার মধ্যে বিদ্যুৎ খাতের পেমেন্ট শৃঙ্খলার সংস্কার অন্তর্ভুক্ত।

রিংস অফ রেসপন্সিবিলিটি (দায়িত্বের বলয়): নামধারী কর্মকর্তা, তারিখ সম্বলিত কর্মপরিকল্পনা এবং প্রকল্প চেইনে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জনসমক্ষে কাজ পিছিয়ে যাওয়ার ট্র্যাকিং ব্যবস্থা রাখা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

3 × 3 =