আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী দুজন

আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী আজ ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। এর আগে, মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে দু’জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। তাদের কেউই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। ফলে আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দু’জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তারা হলেন-মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম।’

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব এসব কথা বলেন।

আখতার আহমেদ বলেন, জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ২০ আগস্ট বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ভোটগ্রহণ শুরুর আগে ভোট প্রদানের পদ্ধতি সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের অবহিত করবেন। এরপর ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

ইসি সচিব জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ব্যালট পেপার প্রস্তুত করা হয়েছে। ব্যালট পেপারের একটি অংশ মুড়ি এবং অপরটি মূল ব্যালট পেপার। সংসদ সদস্যরা পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ব্যালট পেপার গ্রহণ করবেন।

ব্যালট পেপারের ডান পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার আদ্যক্ষর অনুযায়ী মুদ্রিত থাকবে। নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে সংসদ সদস্যরা পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন। পরে ব্যালট পেপার নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দেবেন।

বিকেল ৫টা পর্যন্ত ব্যালট গ্রহণ করা হবে। এরপর ভোট গণনা শুরু হবে।

আখতার আহমেদ বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। ভোট গণনার সময় কতজন সংসদ সদস্য ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ, কতটি বাতিল এবং কতটি অব্যবহৃত রয়েছে-এসব হিসাব করা হবে। প্রাপ্ত বৈধ ভোটের মধ্যে যিনি সর্বাধিক ভোট পাবেন, প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা প্রাথমিকভাবে সংসদ কক্ষেই তাকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন। পরে এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ভোটগ্রহণ শেষে প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে এবং এরপর গেজেট প্রকাশ করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সময়ই লাগবে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া চারটি ধাপে সম্পন্ন হচ্ছে-মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই, প্রত্যাহার এবং ভোটগ্রহণ। আজ তৃতীয় ধাপ শেষ হয়েছে। এরপর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৩৫ বছর পর এমন একটি নতুন অভিজ্ঞতার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

five × 5 =