
২৬ মার্চ ২০২৬ ছিল বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসের ৫৫তম জয়ন্তী। এই দিনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা গর্বিত বাংলাদেশিরা শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় স্মরণ করেছে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ আর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। ব্রিসবেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন দিনটি স্মরণে আয়োজন করেছিল একটি সুশৃঙ্খল সংক্ষিপ্ত আয়োজন।
ব্রিসবেন শহরের স্নায়ুকেন্দ্রে ব্রিসবেন সিটি কাউন্সিল ভবনটি সন্ধ্যায় সেজেছিল বাংলাদেশ পতাকার লাল সবুজ আলোকছটায়। মনোমুদ্ধকর চত্বরে দাঁড়িয়ে তিন প্রজন্মের বাংলাদেশিরা গর্বভরে স্মরণ করেছে স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রনায়কদের, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, সম্ভ্রম বিসর্জন দেয়া বীরঙ্গনাদের।
উপস্থিত কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা নতুন প্রজন্মদের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি, ইতিহাস অনুসন্ধান করে নিজেদের শেকড়ের অনুসদ্ধান করার উপদেশ দিয়েছেন। অনুপ্রাণিত করেছেন নিজ নিজ অবস্থানে থেকেই মায়ের দেশের জন্য অবদান রাখার।
মিডিয়া সূত্রে জেনেছি বাংলাদেশেও এবার নানা আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধকে স্মরণ করা হলেও মুক্তিযুদ্ধের মহানায়করা রয়ে গেছে বিস্মৃতির অন্তরালে। যে জাতি খলনায়কদের ষড়যন্ত্রে নায়কদের অবমূল্যায়ন করে সেই জাতির ললাটে দুর্ভাগ্য দীর্ঘস্থায়ী হয়। কিন্তু ইতিহাস সবাইকে যথাযথ মূল্যায়ন করে যথাসময়ে যথাযথভাবে।
আমি ব্রিসবেনবাসী বাংলাদেশিদের সাধুবাদ জানাই একটি সুন্দর সক্ষিপ্ত পরিকল্পিত আয়োজনের জন্য। এই ধরনের আয়োজন বাংলাদেশের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে ছড়িয়ে দিবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।