নতুন করে ইসরাইলের পাঁচ লক্ষ্যবস্তুতে ইরাকি যোদ্ধাদের হামলা

এবার দখলদার ইসরাইলের পাঁচটি লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন দ্যা ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক (আইআরআই)। গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরাইলি গণহত্যার বিরুদ্ধে ও ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে তারা এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগঠনটি।

মঙ্গলবার আদালা দুই বিবৃতিতে এসব হামলার কথা নিশ্চিত করেছে ইরান সমর্থিত আইআরআই। তবে এখন পর্যন্ত হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি তেল আবিব। বিবৃতিতে বলা হয়, দখলদারিত্ব প্রতিরোধের ব্যাপারে আমাদের অব্যাহত প্রচেষ্টা, গাজার জনগণের প্রতি সমর্থন এবং নারী-শিশুসহ ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর দখলদার বাহিনীর গণহত্যার জবাবে এসব হামলা চালানো হয়েছে।

ইরাকি যোদ্ধারা জানিয়েছে, ইসরাইলের আশকেলন তেল বন্দর এবং বীরশেবা এলাকার হাটজেরিম বিমান ঘাঁটিতে উপযুক্ত অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। ইসরাইল যতক্ষণ পর্যন্ত গাজা যুদ্ধ অব্যাহত রাখবে ততক্ষণ ইরাকের পক্ষ থেকে এ ধরনের হামলা চলবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

ইরানভিত্তিক পার্সটুড বলছে, এর আগে গেলো শনিবার ইসরাইল অধিকৃত অঞ্চলের হাইফায় তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় আইআরআই। তার আগে বুধবার ইরাকি প্রতিরোধ বাহিনী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইসরাইলি বিমানঘাঁটির পাশাপাশি অধিকৃত অঞ্চলের আশদোদ শহর লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এসব হামলায় ইরাইলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরআই, তবে এ বিষয়ে এখনও মুখ খোলেনি তেল আবিব।

গেলো বছরের অক্টোবর মাসের ৭ তারিখে ইসরাইলে এই দশকের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালায় গাজার হামাস সরকার। এর পরপরই গাজায় বিমান হামলা ও স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইল। এ আগ্রাসনে ৩৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ।

চলমান এ গণহত্যার প্রতিবাদে ইরাক, ইরান, লেবানন, ইয়েমেনসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশের একাধিক রাজনৈতিক সংগঠন ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সংগঠনগুলো বলছে, গাজায় গণহত্যা বন্ধ না হলে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে হামলা চলতে থাকবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

6 − 2 =