আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ওয়ার্নার অবসর নিলেন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসরের সুপার এইট থেকে দল  বিদায় নেওয়ার পরই  ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার ঘোষনা দিলেন অস্ট্রেলিয়া  ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার।

সুপার এইটের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে আফগানিস্তান হারলে ও রান রেট ভালো থাকলে সেমিফাইনালে খেলতে পারতো অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু বাংলাদেশকে বৃষ্টি আইনে ৮ রানে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় দিয়ে সেমির টিকিট পায় আফগানরা।

সেন্ট লুসিয়াতে সুপার ইট পর্বে  নিজেদের শেষ ম্যাচে  ভারতের কাছে ২৪ রানে হারের পরই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় পড়েছিলো অস্ট্রেলিয়া।

৩৭ বছর বয়সী ওয়ার্নার অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতি টানার ঘোষনা আগেই দিয়ে রেখেছিলেন। তবে তার বিদায়টা যে এভাবে হবে, সেটি হয়তো ভাবেননি তিনি।

সুপার এইটে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হয়ে থাকলো ওয়ার্নারের।  ম্যাচে ৬ বলে ৬ রান করেন তিনি।

২০০৯ সালের জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর তিন ফরম্যাটে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং অর্ডারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে যান ওয়ার্নার।

তিন ফরম্যাটে অস্ট্রেলিয়ার সেরা খেলোয়াড়ের তকমা নিয়েই বিদায় নিয়েছেন ওয়ার্নার। টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার  হয়ে  ১১০ টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ তিন হাজার ২৭৭ রান করেছেন ওয়ার্নার।

এ বছরের জানুয়ারিতে সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানান ওয়ার্নার। এরপর ওয়ানডে থেকে অবসরের ঘোষনা দেন তিনি। ১১২ টেস্টে ৮৭৮৬ রান এবং ১৬১ ওয়ানডেতে ৬৮৩২ রান করেছেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার।

সম্প্রতি ওয়ার্নারকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড বলেছিলেন, ‘সম্ভবত আমাদের তিন ফরম্যাটের সেরা খেলোয়াড় ওয়ার্নার। তার না থাকাটা ক্ষতি হবে দলের।’

বাসস

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

one + nineteen =