ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তরের ডাক, ঢাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসব

ঢাকা, ২৬ অক্টোবর ২০২৬: জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং টেকসই ও ন্যায্য জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বানের মধ্য দিয়ে রাজধানীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘রিনিউয়েবল এনার্জি ফেস্ট ২০২৬’।

সোমবার বুয়েটের কেন্দ্রীয় মাঠে দ্বিতীয়বারের মতো শুরু হওয়া এ উৎসবের আয়োজন করেছে একশনএইড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (জেটনেট-বিডি) এবং বুয়েটের ইনস্টিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (আইইএসডি)। ‘একটি ন্যায্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সবুজ জ্বালানি রূপান্তর’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত উৎসবে তরুণ, নারী, শ্রমজীবী মানুষ, নাগরিক সমাজ ও জলবায়ু সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। উদ্বোধন উপলক্ষে শহীদ মিনার থেকে বুয়েট পর্যন্ত র‌্যালি ও ফ্ল্যাশমব অনুষ্ঠিত হয়।

একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তরের পরিকল্পনা ও বিনিয়োগে কৃষক, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বুয়েটের আইইএসডি পরিচালক অধ্যাপক ড. এমএএ শওকত চৌধুরী বলেন, ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে দেশের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

উৎসবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি প্রদর্শনী, স্টার্টআপদের জন্য বিনিয়োগ সংযোগ এবং জ্বালানি নীতি, অর্থায়ন, প্রযুক্তি ও শিল্পের কার্বন নিঃসরণ কমানো নিয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। উদ্ভাবন মেলায় ২০টি এবং প্রযুক্তি মেলায় ৯টি স্টল থাকছে। সম্ভাবনাময় উদ্ভাবনের জন্য সিড ফান্ডিংয়ের সুযোগও রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করবেন। উৎসবের শেষ দিনে জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের বিশেষজ্ঞরা ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর, বিনিয়োগ, সুশাসন এবং সামাজিক ও পরিবেশগত সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করবেন।

আয়োজকদের লক্ষ্য, সরকার, গবেষক, বেসরকারি খাত, বিনিয়োগকারী, নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগীদের একই প্ল্যাটফর্মে এনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

11 + fifteen =