ষষ্ঠ বিশ্বকাপে পর্তুগালের নেতৃত্বে রোনাল্দো

অসাধারণ প্রতিভাবান সতীর্থদের নিয়ে রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপে মাঠে নামতে যাচ্ছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্দো। বৈশ্বিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে প্রথমবারের মতো শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে পর্তুগাল।

কোচ রবার্তো মার্টিনেজের দল গ্রুপ ‘কে’-তে অন্যতম ফেবারিট হিসেবেই আছে। এই গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গো, বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া উজবেকিস্তান এবং তুলনামূলক কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী কলম্বিয়া।

ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্দো এবং দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি এবারের বিশ্বকাপেরইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন। তারা দুজনেই বিশ্বকাপের ছয়টি আসরে অংশ নেওয়া প্রথম ফুটবলার হতে চলেছেন।

২০০৬ সালের বিশ্বকাপে রোনাল্দোর অভিষেক আসরে পর্তুগাল চতুর্থ স্থান অর্জন করেছিল। কিন্তু এরপর আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা (১৪৩ গোল) রোনাল্ডোকে দলে রেখেও দলটি খুব কমই শিরোপার কাছাকাছি পৌঁছাতে পেরেছে।

বর্তমানে ৪১ বছর বয়সী রোনাল্দোর উপস্থিতিকেই অনেকে সাম্প্রতিক বড় টুর্নামেন্টগুলোতে পর্তুগালের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে না পারার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন। বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে শেষ নয় ম্যাচে তিনি কোনো গোল করতে পারেননি। এমনকি ২০২২ বিশ্বকাপে তৎকালীন কোচ ফার্নান্দো সান্তোস রোনাল্দোকে বেঞ্চে বসিয়ে গনসালো রামোসকে খেলিয়েছিলেন।

তবে মার্টিনেজ রোনাল্দোর প্রতি আস্থা অটুট রেখেছেন এবং তার পেছনে যুক্তিও রয়েছে। গত বছর স্পেনকে টাইব্রেকারে হারিয়ে পর্তুগাল যখন উয়েফা নেশন্স লিগ জেতে তখন কোয়ার্টার-ফাইনাল, সেমি-ফাইনাল ও ফাইনাল- তিন ম্যাচেই গোল করেছিলেন রোনাল্ডো।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বেও তিনি পাঁচ ম্যাচে পাঁচ গোল করেন, যদিও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে লাল কার্ড দেখেছিলেন। অন্য কোনো খেলোয়াড় হলে হয়তো টুর্নামেন্টের শুরুতেই দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তেন, কিন্তু রোনাল্দো মাত্র এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হন।

রোনাল্দোকে সমর্থনের আরেকটি কারণ হলো, আক্রমণভাগে পর্তুগালের কাছে খুব বেশি নির্ভরযোগ্য বিকল্প নেই। তবে তাদের আসল শক্তি সম্ভবত বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা মিডফিল্ড লাইনআপ। পিএসজি জুটি ভিটিনহা, হুয়াও নেভেসের সাথে আরও আছেন প্রিমিয়ার লিগের বর্ষসেরা খেলোয়াড় ব্রুনো ফার্নান্দেস ও বার্নান্ডো সিলভা।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

5 × four =