জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে ২,৩৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের জন্য ২ হাজার ৩৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। খবর বাসস

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের জন্য সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩৬৬ কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ১৭৮ কোটি টাকা।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের জন্য উন্নয়ন ব্যয়ে সবচেয়ে বেশি প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ২২৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। আর পরিচালন ব্যয় প্রস্তাব করা হয় ৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২৬টি অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও ওয়ার্কওভার কূপ খননের কথা জানান।

তিনি বলেন, গ্রাহক পর্যায়ে সুষ্ঠুভাবে গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্যে ৪৫ কিলোমিটার বিতরণ পাইপলাইন সম্প্রসারণ করা হবে। নতুন নতুন গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) আওতায় ১১০ লাইন কি. মি. ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ, ৭০০ কি. মি. ২-ডি সিসমিক জরিপ সম্পাদন করা হবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে ৬ লাখ মেট্রিক টন কয়লা এবং মধ্যপাড়া খনি হতে ১৪ লাখ মেট্রিক টন গ্রানাইট বা পাথর উত্তোলন করা হবে। দেশীয় কোম্পানি বাপেক্সের গ্যাস কূপ খনন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দেশজ গ্যাস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে নতুন রিগ ক্রয় করা হবে।

এছাড়া দেশের বর্ধিত গ্যাস চাহিদা পূরণের জন্য বিদেশ থেকে ৭ দশমিক ১৮ মিলিয়ন টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

four × one =