পরিবেশ সুরক্ষা ও শিল্প সক্ষমতার সমন্বয়ে এগোতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পে পরিবেশগত অনুবর্তিতা নিশ্চিত করতে শিল্পের বাস্তবতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

মঙ্গলবার পরিবেশ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের পরিবেশগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সভায় শিল্পের পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন কারিগরি ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ আলোচনা হয়। এর মধ্যে ইটিপির নির্গত পানির রঙের মান, জিরো লিকুইড ডিসচার্জ (জেডএলডি), পানি পুনর্ব্যবহার, ‘থ্রি-আর’ নীতি, পরিবেশগত নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার নির্ভরযোগ্যতা, মিরর টেস্টিং, পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন, এসটিপি স্থাপন, জেনারেটরের শব্দ নিয়ন্ত্রণ, বায়ুদূষণ ব্যবস্থাপনা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, পানি দক্ষতা ও রিজেক্ট ওয়াটার ব্যবস্থাপনা উল্লেখযোগ্য।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান লিখিত প্রস্তাবে এসব বিষয়ে শিল্পখাতের বিভিন্ন কারিগরি ও বাস্তব চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। উৎপাদন প্রক্রিয়াকে আরও পরিবেশবান্ধব, সম্পদ-সাশ্রয়ী ও টেকসই করতে পরিবেশ আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা জরুরি।

তিনি বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্য অক্ষুণ্ন রেখে শিল্পের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে যৌক্তিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধান খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও শিল্পের টেকসই উন্নয়নের মধ্যে সমন্বয় জরুরি। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণ, পানি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বাস্তবায়নযোগ্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ধাপে ধাপে তা অর্জনের আহ্বান জানান।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

fourteen − eight =