মেয়েদের ফুটবলে স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতা অপরিহার্য

বাংলাদেশের মেয়েদের ফুটবল অর্জনে হেড কোচের বিশাল অবদান স্বীকার করেই বলছি তার একছত্র নিয়ন্ত্রণে হয়তো কিছুটা জবাবদিহিতা সৃষ্টি প্রয়োজন। এশিয়া কাপের মূল পর্বে খেলা অবশ্যই মেয়েদের ফুটবলের জন্য মাইলফলক অর্জন। সেইসঙ্গে দুইবার সাফ শিরোপা অর্জন। হেড কোচ পিটার বাটলারের সঙ্গে বাংলাদেশের শীর্ষ স্থানীয় খেলোয়াড় সাবিনা, কৃষ্ণা, সুমাইয়া, সানজিদা, মাসুরাদের দ্বন্দ সৃষ্টি হলে তাদের ছেঁটে ফেলা হয়।

সবাই জানে বিশৃঙ্খলতা সৃষ্টির জন্য দলের নিউক্লিয়াস ছেঁটে ফলে তরুণদের নিয়ে দলকে উন্নতির একটা পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছেন বাটলার। তার এই কাজে বিএফএফ কোন হস্তক্ষেপ করেনি। অনেকেই মনে করেন দলের মূল ভরসা এতগুলো খেলোয়াড়দের সঙ্গে হেড কোচের ব্যাক্তিত্বের দ্বন্দে বিএফএফের হস্তক্ষেপ জরুরি ছিল। এমনিতেই দল থেকে বাদ পরে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের যথেষ্ট সাজা হয়েছিল। সাবিনা আর অন্যান্য সিনিয়র খেলোয়াড়রা এখনো সক্রিয় আছে। দেশের হয়ে কিছু দিন আগে সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

এবারে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের মেয়েদের দুটি খেলা দেখে বিশেষ করে ভারতের বিরুদ্ধে ছন্নছাড়া খেলা দেখে সাবিনা, সানজিদাদের অভাব দারুন ভাবে ফুঁটে উঠেছে। বাটলার খেলোয়াড়দের কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

আমি মনে করি বাংলাদেশ যদি টুর্নামেন্টে এখনো ঘুরে দাঁড়িয়ে সাফ শিরোপা ধরে রাখতে না পারে তাহলে বাটলার-সিনিয়র খেলোয়াড়দের দ্বন্দ নিরসনে বিএফএফকে ভূমিকা নিতেই হবে। হঠাৎ করে কেন দলটির ছন্দপতন সেটি অবশ্যই অনুসদ্ধান করতে হবে। খেলোয়াড়দের অবদানেই মেয়েদের ফুটবল বর্তমান অবস্থায়। ভুল করে ক্ষমা চেয়ে খেলোয়াড়রা ফিরে আসলে দল উপকৃত হবে। আমি মনে করি ওদের সবার অনেক কিছুই এখনো দলকে দেওয়ার আছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

3 × 2 =