ঢাকা, ৮ জুলাই ২০২৬ – বিনিয়োগ, এলএনজি সরবরাহ এবং সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে জ্বালানি খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও তুরস্ক।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, এমপির কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেন। এ সময় উভয় পক্ষ জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
তুরস্কের প্রতিনিধিদলে ছিলেন বাংলাদেশে তুরস্ক দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর বিলাল বেলইউর্ত এবং ইউনাইটেড আইগাজ এলপিজি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হারুন ওরতাচ।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত রামিস শেন নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করায় মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের প্রতি তুরস্ক সরকারের আন্তরিক শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তিনি দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতি তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশে তুরস্কের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন।
তুর্কি প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি বিশেষ করে এলএনজি সরবরাহসহ জ্বালানি খাতে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানো এবং বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-তুরস্কের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্পর্কের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার বিভিন্ন সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় রাষ্ট্রদূত রামিস শেন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে এবং নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র অনুসন্ধানের লক্ষ্যে মন্ত্রীকে তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণ জানান। মন্ত্রী আমন্ত্রণকে স্বাগত জানিয়ে সুবিধাজনক সময়ে তুরস্ক সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন।